বাংলা কবিতার একটি ব্লগজিন ...প্রবীণ ও নবীন কবিদের মেলবন্ধন ঘটানোই এই ব্লগের উদ্দেশ্য। নতুন শতাব্দীর প্রথম দশকটিও অতিক্রান্ত হলো। আমরা চাই, বাংলা কবিতার চলমান ধারাটি এখানে স্পষ্ট হয়ে উঠুক। প্রচুর কথাবার্তা হোক কবিতা নিয়ে। নিছক কবিতা প্রকাশ নয়, কবিতা নিয়ে আলোচনা হোক মূল উদ্দেশ্য। আপনার সদ্য রচিত কবিতাটি পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায় : kajalsen1952@gmail.com ,
anupam_gtl@yahoo.co.in ,
anupamkajal@gmail.com।
কথা বলুন : ০৯৮৩৫৫৪৪৬৭৫ /
০৮৯৬৭৩১৫৭০৬।
শ্যামলকান্তি দাশের কবিতায় স্বর্ণ লঙ্কার পতনের কথা আছে । কিন্তু এই পতন প্রতীকী । যেখানে কবি শূর্পণখার দুঃখ, হৃদয়ের আবেগকে উপলব্ধি করেন, যে মারীচের মৃত্যুর চিহ্ন স্বরূপ বৃষ্টিহীন, তার পাতা ঝরে পরার কথা বলে যান । সেই রামায়ণের চরিত্রগুলি ফিরে ফিরে আসে ।
‘কবিতার কালিমাটি’ ২২তম পোস্ট এক কথায় অনন্য। সবচেয়ে প্রথমে জানাই কবিতা বিষয়ক গদ্য দুটির কথা। ব্যক্তিগত কবিতা ভাবনায় দুজনেই নিজের নিজস্ব হৃদয়জাত ধারণায় উজ্জ্বল সুন্দর। সুবীর বোসের কবিতাভাবনা ‘মৌসুমি করিডরে’ নিজেই একটা কবিতা হয়ে উঠেছে। সুন্দর তার বাচনভঙ্গি। ‘আমি তো ছোট জলাশয় থেকে শিখেছিলাম কীভাবে রাত গলে গলে পড়ে জলের নিঃশ্বাসে’ – আমি আপ্লুত হয়েছি। ‘কবিতা আগে না কবিটা আগে!’ এক অসামান্য অনুভব, সাধারণ ক্ষেত্রে চিন্তার বিষয়ও। কে দিতে পারে এর উত্তর! উত্তরের বোধহয় প্রয়োজনও নেই। ঘরেতে যখন ভ্রমর আসে, কবির মনে যে গুঞ্জনধ্বনি ওঠে, তাই-ই তো কবিতা! সে গুঞ্জনের হাজারো রকমের অভিব্যক্তি – কবিই পারেন। মাস্টারি বেতের শাসানিতে কবিসৃষ্ট ছন্দ ও কবিতা মার খায়, দারুন রক্ত ঝরে। ‘উফ কত যে পাখি এইভাবে চশমার বয়সের ভেতর ঢুকে গেল, কে জানে!’ ছন্দ যে আপনিই আসে কবির কালি-কলমে মন-খাতায়! এ নিয়ে বীজ আগে না গাছ আগে – ঝগড়াঝাটি শিক্ষকীয় জ্ঞান দান – হাঃ। শেষ প্যারাগ্রাফ, আমি বার বার পড়েছি, বার বার পড়তে বলছি। ‘না উড়ে থেমেছ পাখি, সমস্তটা ওড়ো’। (কবি স্বদেশ সেন)
অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, পাঁচের চাল, ছয়ের চাল – চালচুলো গুটিয়ে চিলেকোঠায় জমা করলেই মুক্তক্ষেত্র, কবিতার – হ্যাঁ, ‘সে আসবেই / যতই বল না কিছু নেই’। স্রোতের বিপরীতে দাঁড় বাওয়ার যে কষ্ট-আনন্দ, অজর্নেই তা কবি বোঝেন। পাঠকও বুঝুন।
শ্যামলকান্তি দাশের কবিতায় স্বর্ণ লঙ্কার পতনের কথা আছে । কিন্তু এই পতন প্রতীকী । যেখানে কবি শূর্পণখার দুঃখ, হৃদয়ের আবেগকে উপলব্ধি করেন, যে মারীচের মৃত্যুর চিহ্ন স্বরূপ বৃষ্টিহীন, তার পাতা ঝরে পরার কথা বলে যান । সেই রামায়ণের চরিত্রগুলি ফিরে ফিরে আসে ।
ReplyDeleteশুভঙ্কর পাল
kabitaar chhobi r chhobir kabita niye kabitaar kalimati-22 mugdho karlo..selam .....anek kabita parlam mon valo haye gelo..sobaike sharod valobasa..debasish saha
ReplyDeletehyan, Kajalda, ek chokkor ghure esechhi blog-e...darun sankhya...prochur ovinondon O shubhechchha...
ReplyDeleteSubir Bose
‘কবিতার কালিমাটি’ ২২তম পোস্ট এক কথায় অনন্য। সবচেয়ে প্রথমে জানাই কবিতা বিষয়ক গদ্য দুটির কথা। ব্যক্তিগত কবিতা ভাবনায় দুজনেই নিজের নিজস্ব হৃদয়জাত ধারণায় উজ্জ্বল সুন্দর।
ReplyDeleteসুবীর বোসের কবিতাভাবনা ‘মৌসুমি করিডরে’ নিজেই একটা কবিতা হয়ে উঠেছে। সুন্দর তার বাচনভঙ্গি। ‘আমি তো ছোট জলাশয় থেকে শিখেছিলাম কীভাবে রাত গলে গলে পড়ে জলের নিঃশ্বাসে’ – আমি আপ্লুত হয়েছি। ‘কবিতা আগে না কবিটা আগে!’ এক অসামান্য অনুভব, সাধারণ ক্ষেত্রে চিন্তার বিষয়ও। কে দিতে পারে এর উত্তর! উত্তরের বোধহয় প্রয়োজনও নেই। ঘরেতে যখন ভ্রমর আসে, কবির মনে যে গুঞ্জনধ্বনি ওঠে, তাই-ই তো কবিতা! সে গুঞ্জনের হাজারো রকমের অভিব্যক্তি – কবিই পারেন। মাস্টারি বেতের শাসানিতে কবিসৃষ্ট ছন্দ ও কবিতা মার খায়, দারুন রক্ত ঝরে। ‘উফ কত যে পাখি এইভাবে চশমার বয়সের ভেতর ঢুকে গেল, কে জানে!’
ছন্দ যে আপনিই আসে কবির কালি-কলমে মন-খাতায়! এ নিয়ে বীজ আগে না গাছ আগে – ঝগড়াঝাটি শিক্ষকীয় জ্ঞান দান – হাঃ। শেষ প্যারাগ্রাফ, আমি বার বার পড়েছি, বার বার পড়তে বলছি। ‘না উড়ে থেমেছ পাখি, সমস্তটা ওড়ো’। (কবি স্বদেশ সেন)
অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, পাঁচের চাল, ছয়ের চাল – চালচুলো গুটিয়ে চিলেকোঠায় জমা করলেই মুক্তক্ষেত্র, কবিতার – হ্যাঁ, ‘সে আসবেই / যতই বল না কিছু নেই’। স্রোতের বিপরীতে দাঁড় বাওয়ার যে কষ্ট-আনন্দ, অজর্নেই তা কবি বোঝেন। পাঠকও বুঝুন।
নীতা বিশ্বাস
কাজলদা, এই "কবিতার কালিমাটি"র এই সংখ্যাটাও বরাবরের মতো মন ছুঁয়ে গেল। @নীতা বিশ্বাস, আমার ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানবেন।
Deleteকবিতার কালিমাটি ক্রমশ আরো আরো উতকর্ষতা লাভ করছে।এই সংখ্যাটির সার্বিক আয়োজন মোহনীয়।কবিতাগুলো পড়ছি একে একে...সবসময়ের জন্যে শুভকামনা থাকলো
ReplyDelete- শিমন রায়হান
কবিতাগুলো অনেক বেশি সুন্দর । হৃদয় ছুয়ে যায়......
ReplyDeletehttp://kobitaoslogan.blogspot.in/
ReplyDeleteচাইলে আপনি আপনার এই ব্লগের জন্য একটি ফ্রী ডোমেইন পেতে পারেন। আপনার নাম.lekhok.club এই নামটি আপনার ব্লগের জন্য খুব ভালো হবে।
ReplyDelete